দ্বিতীয় মাকসাদ: মাকবূল খবরকে মা’মূলুন বিহী ও গয়রু মা’মূলিন বিহীতে বিভক্তকরণ
اَلْمَقْصَدُ الثَّانِي: تَقْسِيْمُ الْخَبَرِ الْمَقْبُوْلِ إِلَى مَعْمُوْلٍ بِهِ، وَغَيْرِ مَعْمُوْلٍ بِهِ
মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) খবর দুই ভাগে বিভক্ত: مَعْمُوْلٌ بِهِ মা’মূলুন বিহী (আমলযোগ্য) এবং غَيْرُ مَعْمُوْلٍ بِهِ গয়রু মা’মূলিন বিহী (আমলের অযোগ্য)। এই বিভাজন থেকে উলূমুল হাদীসের দুটি প্রকার উৎসারিত হয়:
মুহকাম ও মুখতালিফুল হাদীস
اَلْمُحْكَمُ وَمُخْتَلِفُ الْحَدِيْثِ
নাসিখ ও মানসূখ
اَلنَّاسِخُ وَالْمَنْسُوْخُ
মুহকাম ও মুখতালিফুল হাদীস
اَلْمُحْكَمُ وَمُخْتَلِفُ الْحَدِيْثِমুহকামের সংজ্ঞা
تَعْرِيْفُ الْمُحْكَمِ(ক) শাব্দিক অর্থ: مُحْكَم মুহকাম শব্দটি ইসমে মাফঊল (কর্মবাচক বিশেষ্য), أَحْكَمَ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ: সুদৃঢ় ও নিখুঁত করা।
(খ) পারিভাষিক অর্থ: সেই মাকবূল হাদীস যা সমপর্যায়ের অন্য কোনো হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক নয়।[৪৯]
অধিকাংশ হাদীস এই প্রকারের। আর পরস্পর বিরোধী হাদীস সমগ্র হাদীসের তুলনায় অত্যন্ত কম।
মুখতালিফুল হাদীসের সংজ্ঞা
تَعْرِيْفُ مُخْتَلِفِ الْحَدِيْثِ(ক) শাব্দিক অর্থ: مُخْتَلِف মুখতালিফ শব্দটি ইসমে ফাইল (কর্তৃবাচক বিশেষ্য), اِخْتِلَاف ইখতিলাফ থেকে উদ্ভূত, যা اِتِّفَاق ইত্তিফাক-এর (সম্মতি) বিপরীত। মুখতালিফুল হাদীস বলতে বোঝায়: আমাদের নিকট এমন হাদীসসমূহ পৌঁছেছে যেগুলো অর্থের দিক থেকে পরস্পর বিরোধী, অর্থাৎ অর্থে পরস্পর বিপরীত।
(খ) পারিভাষিক অর্থ:
সেই মাকবূল হাদীস যা সমপর্যায়ের অন্য মাকবূল হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক, তবে উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান সম্ভব।[৪৯]
অর্থাৎ একটি সহীহ বা হাসান হাদীস, যার বিপরীতে সমান মর্যাদা ও শক্তির অন্য একটি হাদীস আসে এবং বাহ্যত উভয়ের অর্থ পরস্পর বিরোধী মনে হয়, কিন্তু গভীর জ্ঞান ও সূক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন আলিমগণের পক্ষে উভয়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্যভাবে সামঞ্জস্য বিধান করা সম্ভব।
মুখতালিফুল হাদীসের উদাহরণ
مِثَالُ الْمُخْتَلِفِ“রোগের সংক্রমণ বলে কিছু নেই এবং পাখি দেখে শুভ-অশুভ নির্ণয়ও নেই…”
বর্ণনা: মুসলিম
“কুষ্ঠরোগী থেকে এমনভাবে পলায়ন করো যেমন সিংহ থেকে পলায়ন করো।”
বর্ণনা: বুখারী[৫০]
এই দুটি সহীহ হাদীস বাহ্যত পরস্পর বিরোধী; কারণ প্রথমটি সংক্রমণ নাকচ করে এবং দ্বিতীয়টি সংক্রমণ সাব্যস্ত করে। উলামায়ে কিরাম উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করেছেন।
সামঞ্জস্য বিধানের পদ্ধতি
كَيْفِيَّةُ الْجَمْعِ بَيْنَهُمَاহাফিয ইবনু হাজার রহিমাহুল্লাহ যে ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন তার সারসংক্ষেপ হলো:
সংক্রমণ প্রকৃতপক্ষে অস্তিত্বহীন, যেমন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “لَا يُعْدِيْ شَيْءٌ شَيْئًا” (কোনো কিছু অন্য কিছুকে সংক্রমিত করে না)।[৫১] যখন কেউ আপত্তি করলেন যে, চর্মরোগী উট সুস্থ উটের মাঝে থাকলে তাদেরও চর্মরোগ হয়, তখন তিনি ﷺ বললেন: “فَمَنْ أَعْدَى الْأَوَّلَ؟” (তাহলে প্রথমটিকে কে সংক্রমিত করেছিল?)[৫২]। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা দ্বিতীয়টিতে রোগ শুরু করেছেন, যেমন প্রথমটিতে শুরু করেছিলেন।
আর কুষ্ঠরোগী থেকে দূরে থাকার নির্দেশ سَدّ الذَّرَائِع সাদ্দুয যারাইয়-এর (অনিষ্টের পথ বন্ধ করার) মূলনীতি থেকে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি কুষ্ঠরোগীর সাথে মেলামেশা করবে, আল্লাহর তাকদীরে তার ঐ রোগ হওয়াটা কাকতালীয়ভাবে ঘটতে পারে (সংক্রমণ দ্বারা নয়, বরং আল্লাহর সূচনা হিসেবে)। তখন সে মনে করবে মেলামেশার কারণেই এটি হয়েছে, ফলে সে সংক্রমণে বিশ্বাস করে গুনাহে পতিত হবে। তাই কুষ্ঠরোগী থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে, যাতে এই ভ্রান্ত বিশ্বাস ও গুনাহে পতিত হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
দুটি বিরোধী মাকবূল হাদীস পেলে কী করতে হবে?
مَاذَا يَجِبُ عَلَى مَنْ وَجَدَ حَدِيْثَيْنِ مُتَعَارِضَيْنِ؟নিম্নলিখিত ধাপগুলো ক্রমানুসারে অনুসরণ করতে হবে:
- যদি উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান সম্ভব হয়, তাহলে সামঞ্জস্য বিধান করা অপরিহার্য এবং উভয় হাদীসের উপর আমল করা ওয়াজিব।
- যদি জানা যায় যে একটি নাসিখ (রহিতকারী), তাহলে নাসিখকে অগ্রাধিকার দিয়ে তার উপর আমল করতে হবে এবং মানসূখ (রহিত) হাদীস পরিত্যাগ করতে হবে।
- তারজীহের (প্রাধান্যদানের) বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে একটিকে অপরটির উপর প্রাধান্য দিতে হবে। তারজীহের মানদণ্ড পঞ্চাশটি বা তার বেশি। অতঃপর প্রাধান্যপ্রাপ্ত হাদীসের উপর আমল করতে হবে।
- উভয় হাদীসের উপর আমল স্থগিত রাখতে হবে, যতক্ষণ না কোনো প্রাধান্যদানকারী মানদণ্ড প্রকাশ পায়।
এই বিদ্যার গুরুত্ব এবং কারা এতে পারদর্শী
أَهَمِّيَّتُهُ وَمَنْ يَكْمُلُ لَهُএটি উলূমুল হাদীসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলোর অন্যতম; সকল আলিমের জন্য এই বিদ্যা জানা অপরিহার্য। তবে এতে পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করেন কেবল সেই ইমামগণ যারা হাদীস ও ফিকহ উভয়ে পারদর্শী, এবং সেই উসূলবিদগণ যারা সূক্ষ্ম অর্থের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম। এঁদের নিকট বিরল কিছু ছাড়া কোনো বিষয়ই দুর্বোধ্য থাকে না।
দলীলসমূহের পারস্পরিক বিরোধ নিরসন উলামাদের ব্যাপকভাবে নিয়োজিত রেখেছে। এখানেই তাঁদের প্রতিভা, বোধগম্যতার সূক্ষ্মতা এবং সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রকাশ পেয়েছে। একইসাথে যোগ্যতাহীন অনধিকারচর্চাকারীদের পদস্খলনও এখানেই ঘটেছে।
এ বিষয়ে প্রসিদ্ধ গ্রন্থাবলি
أَشْهَرُ الْمُصَنَّفَاتِ فِيْهِইখতিলাফুল হাদীস (اِخْتِلَافُ الْحَدِيْثِ)
তিনিই সর্বপ্রথম এই বিষয়ে কথা বলেছেন ও গ্রন্থ রচনা করেছেন।
তা’বীলু মুখতালিফিল হাদীস (تَأْوِيْلُ مُخْتَلِفِ الْحَدِيْثِ)
মুশকিলুল আসার (مُشْكِلُ الْآثَارِ)
নাসিখুল হাদীস ওয়া মানসূখুহু (হাদীসের রহিতকারী ও রহিত)
نَاسِخُ الْحَدِيْثِ وَمَنْسُوْخُهُনাসখের সংজ্ঞা
تَعْرِيْفُ النَّسْخِ(ক) শাব্দিক অর্থ: نَسْخ নাসখ-এর দুটি অর্থ আছে:
অপসারণ (اَلْإِزَالَة)
যেমন বলা হয়: “نَسَخَتِ الشَّمْسُ الظِّلَّ” (সূর্য ছায়াকে অপসারণ করল)।
স্থানান্তর (اَلنَّقْل)
যেমন বলা হয়: “نَسَخْتُ الْكِتَابَ” (আমি কিতাব নকল করলাম), অর্থাৎ এর বিষয়বস্তু স্থানান্তর করলাম। যেন নাসিখ মানসূখকে অপসারণ করেছে অথবা অন্য হুকুমে স্থানান্তর করেছে।
(খ) পারিভাষিক অর্থ:
শারি’ (বিধানদাতা) কর্তৃক তাঁর পূর্ববর্তী কোনো হুকুম তাঁরই পরবর্তী কোনো হুকুম দ্বারা রহিত করা।[৫৩]
গুরুত্ব, কঠিনতা এবং এতে প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব
أَهَمِّيَّتُهُ وَصُعُوْبَتُهُহাদীসের নাসিখ ও মানসূখ চেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন বিদ্যা। ইমাম যুহরী রহিমাহুল্লাহ বলেন: “হাদীসের নাসিখ ও মানসূখ চেনা ফকীহগণকে ক্লান্ত ও অক্ষম করেছে।”
এই বিদ্যায় সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব হলেন ইমাম শাফিঈ রহিমাহুল্লাহ। এতে তাঁর হাত ছিল সবচেয়ে দীর্ঘ এবং তিনিই এর পথিকৃৎ। ইমাম আহমাদ রহিমাহুল্লাহ ইবনু ওয়ারাহকে বললেন (যিনি মিসর থেকে এসেছিলেন): “তুমি কি শাফিঈর কিতাবগুলো লিখেছ?” তিনি বললেন: না। ইমাম আহমাদ বললেন: “তুমি তো অবহেলা করেছ! মুজমাল (সংক্ষিপ্ত) থেকে মুফাসসার (বিস্তারিত) এবং হাদীসের নাসিখ থেকে মানসূখ আমরা চিনতে পারিনি, যতক্ষণ না আমরা শাফিঈর মজলিসে বসেছি।”
নাসিখকে মানসূখ থেকে কীভাবে চেনা যায়?
بِمَ يُعْرَفُ النَّاسِخُ مِنَ الْمَنْسُوْخِ؟হাদীসের নাসিখকে মানসূখ থেকে নিম্নলিখিত যে কোনো একটি উপায়ে চেনা যায়:
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর স্পষ্ট বক্তব্য
যেমন সহীহ মুসলিমে বুরায়দাহ রদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস:
“আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা যিয়ারত করো; কারণ এটি আখিরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়।”[৫৪]
সাহাবীর বক্তব্য
যেমন জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ রদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দুটি কাজের মধ্যে সর্বশেষটি ছিল: আগুনে পাকানো খাবার খেলে ওদূ না করা।”[৫৫]
তারীখ (সময়কাল) জানা
যেমন শাদ্দাদ ইবনু আওস রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফূ’ হাদীস: “أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُوْمُ” (শিঙ্গা প্রদানকারী ও গ্রহণকারী উভয়ের রোযা ভেঙে গেছে)[৫৬] এই হাদীস রহিত হয়েছে ইবনু আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীস দ্বারা: “নবী ﷺ ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।”[৫৭] কারণ শাদ্দাদের হাদীসের কিছু সূত্রে এসেছে যে, এটি মক্কা বিজয়ের সময়ের ঘটনা। আর ইবনু আব্বাস বিদায় হজ্জে নবী ﷺ-এর সফরসঙ্গী ছিলেন।
ইজমার (ঐকমত্যের) দালালাত (নির্দেশনা)
যেমন হাদীস: “مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فَاجْلِدُوْهُ، فَإِنْ عَادَ فِي الرَّابِعَةِ فَاقْتُلُوْهُ” (যে মদ পান করবে তাকে বেত্রাঘাত করো, চতুর্থবার পুনরাবৃত্তি করলে তাকে হত্যা করো)।[৫৮]
ইমাম নববী রহিমাহুল্লাহ বলেন: “ইজমা এটি রহিত হওয়ার প্রমাণ।”
ইজমা নিজে রহিতকারীও নয় এবং রহিতও হয় না, তবে এটি রহিতকারীর অস্তিত্বের দিকে নির্দেশ করে।
এ বিষয়ে প্রসিদ্ধ গ্রন্থাবলি
أَشْهَرُ الْمُصَنَّفَاتِ فِيْهِআল-ই’তিবার ফিন নাসিখি ওয়াল মানসূখি মিনাল আসার (اَلْاِعْتِبَارُ فِي النَّاسِخِ وَالْمَنْسُوْخِ مِنَ الْآثَارِ)
আন-নাসিখু ওয়াল মানসূখ (اَلنَّاسِخُ وَالْمَنْسُوْخُ)
তাজরীদুল আহাদীসিল মানসূখাহ (تَجْرِيْدُ الْأَحَادِيْثِ الْمَنْسُوْخَةِ)
প্রথম মাতলাবের (মাকবূল খবর) সারসংক্ষেপ
- পাঁচটি শর্ত পূর্ণরূপে পূরণ: ইত্তিসাল, আদালত, পূর্ণ দবত, শুযূযমুক্ত, ইল্লতমুক্ত
- মূলত হাসান লিযাতিহী, একাধিক সমপর্যায়ের বা শক্তিশালী সূত্রে বর্ণিত হওয়ায় সহীহে উন্নীত
- সহীহের মতোই, তবে রাবীর দবত (সংরক্ষণ ক্ষমতা) কিছুটা হালকা
- মূলত দঈফ (ফিসক/মিথ্যা ছাড়া অন্য কারণে), একাধিক সূত্রে বর্ণিত হওয়ায় হাসানে উন্নীত
চারটি প্রকারই দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য (হুজ্জত)। তবে মাকবূল হাদীস দুই ভাগে বিভক্ত: মা’মূলুন বিহী (যার উপর আমল করা হয়, অর্থাৎ মুহকাম ও নাসিখ) এবং গয়রু মা’মূলিন বিহী (যার উপর আমল করা হয় না, অর্থাৎ মানসূখ)।
মাকবূল হাদীস পেলে প্রথমে দেখতে হবে এটি মুহকাম (অবিরোধী) কি না। যদি অন্য মাকবূল হাদীসের সাথে বিরোধী হয়, তাহলে ক্রমানুসারে: জম’ (সামঞ্জস্য বিধান), নাসখ, তারজীহ, এবং সর্বশেষ তাওয়াক্কুফ করতে হবে।
- মাকবূল খবরের চারটি প্রকারের নাম লিখুন এবং মর্যাদাক্রমে সাজান।
- সহীহ লিযাতিহী ও হাসান লিযাতিহীর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
- “সহীহ লিগয়রিহী” ও “হাসান লিগয়রিহী” কীভাবে গঠিত হয়? প্রতিটির সূত্র লিখুন।
- ইমাম তিরমিযীর “হাসানুন সহীহ” বলার অর্থ কী? ইবনু হাজারের ব্যাখ্যা লিখুন।
- সহীহ হাদীসের পাঁচটি শর্ত কী কী?
- কুরআনের পর সবচেয়ে বিশুদ্ধ দুটি গ্রন্থ কোনগুলো এবং কোনটি অধিক বিশুদ্ধ?
- গ্রন্থের বিবেচনায় সহীহ হাদীসের সাতটি মর্যাদাক্রম কী কী?
- মুখতালিফুল হাদীস কাকে বলে? দুটি বিরোধী মাকবূল হাদীস পেলে কী কী ধাপ অনুসরণ করতে হয়?
- নাসিখকে মানসূখ থেকে চেনার চারটি উপায় কী কী? প্রতিটির একটি করে উদাহরণ দিন।
- কারাইনযুক্ত মাকবূল খবর কাকে বলে এবং এর তিনটি প্রকার কী কী?
পাদটীকা
[৪৯] আন-নুখবাহ সহ নুযহাতুন নাযার শরাহ, পৃষ্ঠা ৩৯।
[৫০] বুখারী, কিতাবুত তিব্ব; ১০/১৫৮, হাদীস নং ৫৭০৭।
[৫১] তিরমিযী, কিতাবুল কদর; খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৫০। আহমাদও বর্ণনা করেছেন।
[৫২] বুখারী, কিতাবুত তিব্ব; খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ১৭১ (ফাতহুল বারীসহ)। মুসলিম, আবূ দাঊদ ও আহমাদও বর্ণনা করেছেন।
[৫৩] উলূমুল হাদীস (عُلُوْمُ الْحَدِيْثِ), পৃষ্ঠা ২৭৭।
[৫৪] মুসলিম, কিতাবুল আদাহী, হাদীস নং ৩৭ (অনুরূপ শব্দে)।
[৫৫] আবূ দাঊদ, কিতাবুত তাহারাহ, হাদীস নং ১৯২।
[৫৬] আবূ দাঊদ, কিতাবুস সাওম, হাদীস নং ২৩৬৯।
[৫৭] বুখারী, কিতাবুস সাওম; ৪/১৭৪, হাদীস নং ১৯৩৮।
[৫৮] আবূ দাঊদ, কিতাবুল হুদূদ, হাদীস নং ৪৪৮৪।
Discover more from Debunking Misguidance
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
