রাবীর জাহালাহ (অপরিচিতি)
اَلْجَهَالَةُ بِالرَّاوِيত্রুটির কারণ: রাবী সম্পর্কে অজ্ঞতা (অষ্টম কারণ)
সংজ্ঞা
تَعْرِيْفُهَا(ক) শাব্দিক অর্থ: جَهَالَة জাহালাহ শব্দটি جَهِلَ-এর মাসদার (ক্রিয়াবিশেষ্য), যা عَلِمَ-এর (জানা) বিপরীত। রাবীর জাহালাহ অর্থ: তাঁকে না চেনা।
(খ) পারিভাষিক অর্থ: রাবীর আইন (ব্যক্তি পরিচয়) অথবা তাঁর হাল (গুণাবলি ও অবস্থা) সম্পর্কে অজ্ঞতা।
জাহালাহর কারণসমূহ
أَسْبَابُهَاরাবীর জাহালাহর তিনটি কারণ:
রাবীর বহু উপাধি (নু’ূত) থাকা
রাবীর নাম, কুনিয়াত, লাকাব, বিশেষণ, পেশা বা বংশপরিচয় ইত্যাদি অনেক থাকে এবং তিনি এগুলোর কোনো একটিতে প্রসিদ্ধ হন। কেউ যদি তাঁকে তাঁর প্রসিদ্ধ পরিচয় ছাড়া অন্য কোনো পরিচয়ে উল্লেখ করেন, তাহলে মনে হয় তিনি ভিন্ন একজন রাবী; ফলে তাঁর অবস্থা (হাল) অজানা হয়ে পড়ে।
রাবীর বর্ণনা কম হওয়া
বর্ণনা কম হওয়ার কারণে তাঁর কাছ থেকে বেশি মানুষ হাদীস গ্রহণ করে না। এমনকি কখনো মাত্র একজনই তাঁর থেকে বর্ণনা করেন।
রাবীর নাম স্পষ্ট না করা
সংক্ষিপ্তকরণ বা অন্য কোনো কারণে রাবীর নাম স্পষ্ট করা হয় না। যে রাবীর নাম স্পষ্ট করা হয়নি তাঁকে مُبْهَم মুবহাম বলা হয়।
উদাহরণসমূহ
أَمْثِلَة“মুহাম্মাদ ইবনুস সাইব ইবনু বিশর আল-কালবী।” কেউ তাঁকে দাদার দিকে সম্বন্ধ করে বলেছেন “মুহাম্মাদ ইবনু বিশর”, কেউ নাম দিয়েছেন “হাম্মাদ ইবনুস সাইব”, কেউ কুনিয়াত দিয়েছেন “আবুন নাদর”, কেউ “আবূ সাঈদ”, কেউ “আবূ হিশাম”। ফলে মনে হয় এঁরা বিভিন্ন ব্যক্তি, অথচ তিনি একজনই।
“আবুল উশারা আদ-দারিমী”; তাবিঈগণের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর থেকে একমাত্র হাম্মাদ ইবনু সালামাহ ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি।
রাবী বলেন: “আমাকে সংবাদ দিয়েছেন অমুক”, অথবা “একজন শায়খ”, অথবা “একজন ব্যক্তি” ইত্যাদি।
মাজহূলের সংজ্ঞা
تَعْرِيْفُ الْمَجْهُوْلِمَجْهُوْل মাজহূল হলেন সেই ব্যক্তি যাঁর আইন (ব্যক্তি পরিচয়) অথবা সিফাত (গুণাবলি) অজানা। অর্থাৎ যাঁর ব্যক্তিসত্তা বা পরিচয় জানা যায়নি, অথবা পরিচয় জানা গেলেও তাঁর আদালত (ন্যায়পরায়ণতা) ও দবত (সংরক্ষণ ক্ষমতা) সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
মাজহূলের প্রকারভেদ
أَنْوَاعُ الْمَجْهُوْلِমাজহূল তিন প্রকার:
সংজ্ঞা: যাঁর নাম উল্লেখিত আছে, কিন্তু একজন মাত্র রাবী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
বর্ণনার হুকুম: গ্রহণযোগ্য নয়; তবে তাওসীক (নির্ভরযোগ্য ঘোষণা) করা হলে ভিন্ন কথা।
কীভাবে তাওসীক হবে: দুটি উপায়ের যে কোনো একটিতে:
তাঁর হাদীসের কি নির্দিষ্ট নাম আছে? না, তাঁর হাদীসের নির্দিষ্ট নাম নেই; এটি দঈফ হাদীসের সাধারণ প্রকারভুক্ত।
সংজ্ঞা: যাঁর থেকে দুই বা ততোধিক রাবী বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তাওসীক (নির্ভরযোগ্য ঘোষণা) হয়নি।
বর্ণনার হুকুম: বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী (জমহূরের মত) প্রত্যাখ্যাত।
তাঁর হাদীসের কি নির্দিষ্ট নাম আছে? না, তাঁর হাদীসের নির্দিষ্ট নাম নেই; এটি দঈফ হাদীসের সাধারণ প্রকারভুক্ত।
মুবহামকে মাজহূলের একটি প্রকার গণ্য করা যায়, যদিও মুহাদ্দিসগণ একে নির্দিষ্ট নামে অভিহিত করেছেন। তবে এর প্রকৃত অবস্থা মাজহূলের সদৃশ।
সংজ্ঞা: হাদীসে যাঁর নাম স্পষ্ট করা হয়নি।
বর্ণনার হুকুম: গ্রহণযোগ্য নয়; যতক্ষণ না তাঁর থেকে বর্ণনাকারী তাঁর নাম স্পষ্ট করেন, অথবা অন্য সূত্রে নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখিত থাকে।
প্রত্যাখ্যানের কারণ: নাম অস্পষ্ট হওয়ায় তাঁর ব্যক্তি পরিচয় (আইন) অজানা থেকে যায়, ফলে আদালত (ন্যায়পরায়ণতা) অজানা থাকা আরও স্বাভাবিক।
তা’দীলসূচক শব্দে অস্পষ্ট রাখলে কি গ্রহণযোগ্য? অর্থাৎ রাবী যদি বলেন: “আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) ব্যক্তি”, তাহলে কি গ্রহণযোগ্য?
বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী: এতেও গ্রহণযোগ্য নয়; কারণ তিনি হয়তো তাঁর দৃষ্টিতে সিকাহ, কিন্তু অন্যদের দৃষ্টিতে সিকাহ নন।
তাঁর হাদীসের কি নির্দিষ্ট নাম আছে? হ্যাঁ, তাঁর হাদীসের নির্দিষ্ট নাম আছে: “মুবহাম”। মুবহাম হাদীস হলো সেই হাদীস যাতে এমন রাবী রয়েছেন যাঁর নাম স্পষ্ট করা হয়নি। বায়কূনী তাঁর মানযূমায় বলেন: “وَمُبْهَمٌ مَا فِيْهِ رَاوٍ لَمْ يُسَمْ” (মুবহাম হলো যাতে এমন রাবী আছেন যাঁর নাম উল্লেখিত হয়নি)।
জাহালাহর কারণসমূহ বিষয়ে প্রসিদ্ধ গ্রন্থাবলি
أَشْهَرُ الْمُصَنَّفَاتِ فِيْ أَسْبَابِ الْجَهَالَةِবহু উপাধি বিষয়ে
খতীব বাগদাদীর মুওয়াদ্দিহু আওহামিল জাম’ই ওয়াত তাফরীক (مُوَضِّحُ أَوْهَامِ الْجَمْعِ وَالتَّفْرِيْقِ)
কম বর্ণনা বিষয়ে
“কুতুবুল উহদান” (একক বর্ণনাকারী বিষয়ক গ্রন্থ) নামে গ্রন্থসমূহ রচিত হয়েছে; অর্থাৎ যেসব রাবী থেকে মাত্র একজন বর্ণনা করেছেন তাদের নিয়ে। এর মধ্যে ইমাম মুসলিমের আল-উহদান (اَلْوُحْدَان) অন্যতম।
নাম অস্পষ্ট থাকা বিষয়ে
“কুতুবুল মুবহামাত” (অস্পষ্ট নাম বিষয়ক গ্রন্থ) রচিত হয়েছে। যেমন: খতীব বাগদাদীর আল-আসমাউল মুবহামাহ ফিল আম্বাইল মুহকামাহ (اَلْأَسْمَاءُ الْمُبْهَمَةُ فِي الْأَنْبَاءِ الْمُحْكَمَةِ) এবং ওয়ালিউদ্দীন আল-ইরাকীর আল-মুস্তাফাদ মিন মুবহামাতিল মতনি ওয়াল ইসনাদ (اَلْمُسْتَفَادُ مِنْ مُبْهَمَاتِ الْمَتْنِ وَالْإِسْنَادِ)।
বিদআত
اَلْبِدْعَةُত্রুটির কারণ: নবম কারণ
সংজ্ঞা
تَعْرِيْفُهَا(ক) শাব্দিক অর্থ: بِدْعَة বিদআত শব্দটি মাসদার, بَدَعَ (নতুন কিছু সৃষ্টি করা) থেকে উদ্ভূত, যেমন اِبْتَدَعَ।
(খ) পারিভাষিক অর্থ: দীন পূর্ণ হওয়ার পর দীনে নতুন কিছু প্রবেশ করানো; অথবা নবী ﷺ-এর পরে প্রবর্তিত নব-উদ্ভাবিত মতবাদ ও কর্মকাণ্ড।
বিদআতের প্রকারভেদ
أَنْوَاعُهَاবিদআতে মুকাফফিরাহ (بِدْعَة مُكَفِّرَة)
যে বিদআতের কারণে বিদআতী কাফির হয়ে যায়; যেমন এমন কিছু বিশ্বাস করা যা কুফরকে অনিবার্য করে। নির্ভরযোগ্য মত হলো: যে ব্যক্তি শরীআতের মুতাওয়াতির ও অকাট্যভাবে প্রতিষ্ঠিত কোনো বিষয় অস্বীকার করে, অথবা তার বিপরীতে বিশ্বাস রাখে, তার বর্ণনা প্রত্যাখ্যাত।[১৪১]
বিদআতে মুফাসসিকাহ (بِدْعَة مُفَسِّقَة)
যে বিদআতের কারণে বিদআতী ফাসিক হয়; অর্থাৎ যার বিদআত কোনোভাবেই কুফরের পর্যায়ে পৌঁছে না।
বিদআতী রাবীর বর্ণনার হুকুম
حُكْمُ رِوَايَةِ الْمُبْتَدِعِবিদআত যদি মুকাফফিরাহ হয়
তাঁর বর্ণনা প্রত্যাখ্যাত।
বিদআত যদি মুফাসসিকাহ হয়
বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী (জমহূরের মত): তাঁর বর্ণনা দুটি শর্তে গ্রহণযোগ্য:
বিদআতী রাবীর হাদীসের কি নির্দিষ্ট নাম আছে? না, তাঁর হাদীসের নির্দিষ্ট নাম নেই; বরং এটি মারদূদ প্রকারভুক্ত এবং উপর্যুক্ত শর্তগুলো পূরণ হলেই গ্রহণযোগ্য।
সূ’উল হিফয (স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা)
سُوْءُ الْحِفْظِত্রুটির কারণ: দশম ও সর্বশেষ কারণ
সাইয়িউল হিফযের সংজ্ঞা
تَعْرِيْفُ سَيِّئِ الْحِفْظِসাইয়িউল হিফয হলেন সেই ব্যক্তি যাঁর সঠিক বর্ণনার দিক তাঁর ভুল বর্ণনার দিকের উপর প্রাধান্য পায় না।[১৪২]
প্রকারভেদ
أَنْوَاعُهُসাইয়িউল হিফয দুই প্রকার:
জন্মগত দুর্বলতা
জীবনের শুরু থেকেই স্মৃতিশক্তি দুর্বল এবং সকল অবস্থায় তাঁর সাথী। তাঁর বর্ণনাকে কিছু মুহাদ্দিসের মতে شَاذّ শায বলা হয়।
পরবর্তীকালে আগত দুর্বলতা
বার্ধক্য, দৃষ্টিশক্তি হারানো বা কিতাব পুড়ে যাওয়ার কারণে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া। তাঁকে مُخْتَلِط মুখতালিত বলা হয়।
বর্ণনার হুকুম
حُكْمُ رِوَايَتِهِপ্রথম প্রকার (জন্মগত দুর্বলতা)
তাঁর বর্ণনা মারদূদ (প্রত্যাখ্যাত)।
দ্বিতীয় প্রকার (মুখতালিত)
এর হুকুমে তাফসীল (বিস্তারিত বিচার):
পাদটীকা
[১৪১] দেখুন: আন-নুখবাহ সহ নুযহাতুন নাযার শরাহ, পৃষ্ঠা ৫২।
[১৪২] নুযহাতুন নাযার, পৃষ্ঠা ৫৩।
মারদূদ (প্রত্যাখ্যাত) খবরের সারসংক্ষেপ
এই পর্যন্ত আমরা দ্বিতীয় মাতলাবের (মারদূদ খবরের) সম্পূর্ণ আলোচনা শেষ করলাম। এখানে তিনটি মাকসাদের সারসংক্ষেপ একত্রে দেওয়া হলো।
ক. সনদে বিচ্ছিন্নতা (سَقْط مِنَ الْإِسْنَاد): সনদ থেকে রাবী বাদ পড়া।
খ. রাবীর ত্রুটি (طَعْن فِي الرَّاوِي): রাবীর আদালত বা দবতে সমস্যা থাকা।
| প্রকার | বিচ্ছিন্নতা কোথায় | প্রকাশ্য/গোপন |
|---|---|---|
| মু’আল্লাক (مُعَلَّق) | সনদের শুরু (নিচ) থেকে ধারাবাহিকভাবে রাবী বাদ | প্রকাশ্য |
| মুরসাল (مُرْسَل) | সনদের শেষ (উপর) থেকে, তাবিঈর পরে (সাধারণত সাহাবী) বাদ | প্রকাশ্য |
| মু’দাল (مُعْضَل) | যেকোনো স্থানে ধারাবাহিকভাবে দুই বা ততোধিক রাবী বাদ | প্রকাশ্য |
| মুনকাতি’ (مُنْقَطِع) | উপরের তিনটি ছাড়া অন্য যেকোনো বিচ্ছিন্নতা (সাধারণত মাঝখানে একজন বাদ) | প্রকাশ্য |
| মুদাল্লাস (مُدَلَّس) | রাবী যাঁর থেকে অন্য হাদীস শুনেছেন তাঁর থেকে না-শোনা হাদীস সম্ভাবনাপূর্ণ শব্দে বর্ণনা | গোপন |
| মুরসালে খফী (مُرْسَل خَفِيّ) | রাবী যাঁর থেকে কিছুই শোনেননি (শুধু সমসাময়িক বা সাক্ষাৎপ্রাপ্ত) তাঁর থেকে সম্ভাবনাপূর্ণ শব্দে বর্ণনা | গোপন |
| ক্রম | কারণ | সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র | উদ্ভূত প্রকার |
|---|---|---|---|
| ১ | মিথ্যা | আদালত | মাওদূ’ (مَوْضُوْع) |
| ২ | মিথ্যার অভিযোগ | আদালত | মাতরূক (مَتْرُوْك) |
| ৩,৪,৫ | মারাত্মক ভুল, অধিক গাফলত, ফিসক | আদালত/দবত | মুনকার (مُنْكَر) |
| ৬ | ওয়াহম (ভ্রান্তি) | দবত | মু’আল্লাল (مُعَلَّل) |
| ৭ | সিকাহগণের বিরোধিতা | দবত | শায (شَاذّ), মুদরাজ (مُدْرَج), মাকলূব (مَقْلُوْب), মাযীদ (مَزِيْد), মুদতারিব (مُضْطَرِب), মুসাহহাফ (مُصَحَّف) |
| ৮ | জাহালাহ (অপরিচিতি) | আদালত | মাজহূলুল আইন, মাজহূলুল হাল, মুবহাম |
| ৯ | বিদআত | আদালত | নির্দিষ্ট নাম নেই (শর্তসাপেক্ষে গ্রহণযোগ্য) |
| ১০ | সূ’উল হিফয (স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা) | দবত | শায (জন্মগত হলে), মুখতালিত (পরবর্তীকালে হলে) |
১. দঈফ মানেই বানোয়াট নয়। দঈফ হাদীসের অনেক স্তর রয়েছে; কিছু মৃদু দুর্বল, কিছু অত্যন্ত দুর্বল।
২. দঈফ হাদীস একাধিক সূত্রে বর্ণিত হলে হাসান লিগয়রিহীতে উন্নীত হতে পারে, তবে শর্ত হলো দুর্বলতার কারণ ফিসক বা মিথ্যা না হওয়া।
৩. মাওদূ’ হাদীস বানোয়াট হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট না করে বর্ণনা করা হারাম (ইজমা)। অন্যান্য দঈফ হাদীস ফাদাইলের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে বর্ণনা করা যায়।
৪. শায ও মুনকারের পার্থক্য: শায-এ রাবী মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) কিন্তু অধিক অগ্রগণ্যের বিরোধী; মুনকারে রাবী দঈফ এবং সিকাহর বিরোধী। উভয়ের বিপরীত যথাক্রমে মাহফূয ও মা’রূফ।
৫. মু’আনআন ও মু’আন্নান মূলত মুত্তাসিল (সংযুক্ত), শর্ত হলো: রাবী মুদাল্লিস না হওয়া এবং পরস্পরের সাক্ষাৎ সম্ভব হওয়া (মুসলিমের মত); অথবা সাক্ষাৎ প্রমাণিত হওয়া (বুখারীর মত)।
- মারদূদ খবর বলতে কী বোঝায়? হাদীস প্রত্যাখ্যানের দুটি প্রধান কারণ কী কী?
- সনদে প্রকাশ্য বিচ্ছিন্নতার চারটি প্রকার কী কী? প্রতিটির সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা দিন এবং বিচ্ছিন্নতা সনদের কোথায় ঘটে তা উল্লেখ করুন।
- মু’আল্লাক ও মুরসালের মধ্যে পার্থক্য কী? মুরসালের হুকুমে উলামাদের তিনটি মত উল্লেখ করুন।
- তাদলীসুল ইসনাদ ও ইরসালে খফীর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
- তাদলীসের তিনটি প্রকার (তাদলীসুল ইসনাদ, তাদলীসুত তাসবিয়াহ, তাদলীসুশ শুয়ূখ) বর্ণনা করুন এবং কোনটি সবচেয়ে মারাত্মক তা যুক্তিসহ ব্যাখ্যা করুন।
- মুদাল্লিসের বর্ণনা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ মত (তাফসীল) কী?
- মু’আনআন হাদীস মুত্তাসিল হওয়ার শর্তগুলো কী কী? বুখারী ও মুসলিমের পার্থক্য ব্যাখ্যা করুন।
- রাবীর ত্রুটির দশটি কারণ উল্লেখ করুন; কোনগুলো আদালত সংক্রান্ত এবং কোনগুলো দবত সংক্রান্ত তা পৃথক করুন।
- মাওদূ’ হাদীস কীভাবে চেনা যায়? চারটি উপায় উল্লেখ করুন।
- হাদীস বানোয়াটের ছয়টি উদ্দেশ্য সংক্ষেপে বর্ণনা করুন। কোন শ্রেণির বানোয়াটকারী সবচেয়ে ক্ষতিকর এবং কেন?
- শায ও মুনকারের মধ্যে পার্থক্য কী? শায-এর বিপরীত কোনটি এবং মুনকারের বিপরীত কোনটি?
- মু’আল্লাল হাদীসের ইল্লত (গূঢ় ত্রুটি) বলতে কী বোঝায়? ইল্লতের দুটি শর্ত কী কী?
- সিকাহগণের বিরোধিতা থেকে উদ্ভূত পাঁচটি প্রকার কী কী? কোন ধরনের বিরোধিতায় কোনটি হয় তা সংক্ষেপে উল্লেখ করুন।
- মুদরাজুল মতনের তিনটি আকৃতি (শুরুতে, মাঝখানে, শেষে) প্রতিটির একটি করে উদাহরণ দিন।
- মুদতারিব হাদীস বলতে কী বোঝায়? ইদতিরাব প্রমাণিত হওয়ার দুটি শর্ত কী?
- মুসাহহাফ ও মুহাররাফের মধ্যে পার্থক্য কী (হাফিয ইবনু হাজারের প্রকারভেদ অনুযায়ী)?
- মাজহূলের তিনটি প্রকার (মাজহূলুল আইন, মাজহূলুল হাল, মুবহাম) সংজ্ঞায়িত করুন এবং প্রতিটির বর্ণনার হুকুম উল্লেখ করুন।
- বিদআতী রাবীর বর্ণনা কখন গ্রহণযোগ্য এবং কখন প্রত্যাখ্যাত? শর্তগুলো উল্লেখ করুন।
- মুখতালিত রাবীর বর্ণনার হুকুমে তাফসীল (বিস্তারিত বিচার) কী?
- দঈফ হাদীসে আমল করার তিনটি শর্ত কী কী (হাফিয ইবনু হাজারের মতানুযায়ী)?
Discover more from Debunking Misguidance
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
